অসীম কুমার বিশ্বাস
ঝিনাইদহ ব্যুরো চিফ
ঝিনাইদহ জেলা জজ আদালতের সাবেক জিপি এ্যাডভোকেট বিকাশ কুমার ঘোষকে ভাংচুর ও লুটপাট মামলায় জেল হাজতে প্রেরণ করেছে আদালত। ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আদালত জামিন নামঞ্জুর করে এই আদেশ দেন। আদালত সূত্রে জানা যায় গত ২৯ শে আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা পলায়নের পর ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আখতারুজ্জামানের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ঝিনাইদহ সদর থানায় এই মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৩৩ ।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয় গত ৪ই আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন সময়ে শহরে আখতারুজ্জামান ফার্মেসীতে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় নেতা কর্মীরা ভাংচুর ও লুটপাট করে। এতে দোকানে থাকা ঔষধ সংরক্ষণের জন্য একটি ফ্রিজ, দোকানে লাগানো এসি ও কম্পিউটার ভাংচুর করা হয়। সন্ত্রাসীরা দোকানে থাকা কর্মচারীদের মারপিট করে দোকানে থাকা ক্যাশ বাক্স থেকে প্রায় দেড় লক্ষ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। আর দোকানের মোট ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা।
মামলায় ঝিনাইদহ দুই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জনাব সফিকুল ইসলাম অপু , জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল্লাহ ইসলাম ফোটন, পাগলা কানাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ, ও পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি জীবন কুমার বিশ্বাস সহ আরো ৩০০ জনকে অঞ্জাত আসামি করা হয়। এ সময়ে ৩১জনের নাম উল্লেখ করা হয়, সেই মামলায় ঝিনাইদহ জেলা আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফারুক আজম এর আদালতে বিকাশ কুমার ঘোষ হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করার আদেশ দেন।
উল্লেখ্য ২০০২ সালে ঝিনাইদহ জজ কোর্টে কর্ম জীবন শুরু করেন এ্যাডভোকেট বিকাশ কুমার ঘোষ। স্বৈরাচার হাসিনার আমলে ২০১৯ সালে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুর নেক নজরে তিনি জিপি হিসেবে নিয়োগ পান এবং তিনি সরাসরি ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
আইন-আদালত, গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল বিভাগ, মেইন লিড, শিরোনাম, সাব-লিড






