রাত ১২:৫৬ ; শনিবার ; ৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
facebook Youtube google+ twitter
×
সর্বশেষ সংবাদ
  সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লাবনী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন   বরিশালের এয়াপোর্ট থানায় সফল পুলিশ অভিযান লুণ্ঠিত হওয়া ‘ Hero Glamour’ মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ০১   অপেক্ষা হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের   ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তুলকালাম   নতুন পোশাক পুলিশের গায়ে   সাবেক এমপি ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলা আইনজীবীদের নিয়ে কটূক্তি   ৬৭ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিল সরকার ৪১ ডেপুটি   ৩৭ বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত   বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ   স্কুলছাত্রী ধর্ষিতা প্রাইভেট শিক্ষিকার সহযোগিতায় ছেলে কর্তৃক   মজিবর রহমান সরোয়ারের মতবিনিময় আইনজীবীদের সাথে   সরকারি জমি দখল, আটকে দিলো প্রশাসন চন্দ্রমোহন বিএনপির বহিস্কৃত নেতার   ইসি নিজ উদ্যোগে প্রতীক দেবে এনসিপি শাপলার বিকল্প না নিলে   এক ক্লিকে পৌঁছাবে জেলখানায় অনলাইনে জামিননামা গ্রহণ শুরু বুধবার   নির্বাচনী দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ/২০২৫ খ্রি. এর শুভ উদ্বোধন।   অভিযোগ অস্বীকার করলো ভারত খাগড়াছড়ি অশান্ত হওয়ার পেছনে জড়িত থাকার   ভিসা নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়নি আরব আমিরাত বাংলাদেশের ওপর : রাষ্ট্রদূত   আলী হুসেনকে ৬ মাসের জন্য বহিষ্কার ঢাবি শিক্ষার্থী   বাধা নেই ডাকসু নির্বাচনে   গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দরে নকল অবৈধ সিগারেট ও বিড়ি জব্দ

কোটা কবে থেকে কীভাবে আছে সরকারি চাকরিতে

Shongrami Bangla
৪:৪৯ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৭, ২০২৪

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালসহ কয়েকটি দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা আন্দোলন করছেন। এই আন্দোলন এখন দেশের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।

এমন পরিপ্রেক্ষিতে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, সরকারি চাকরিতে কোটাপদ্ধতি চালুর ইতিহাসটি বেশ দীর্ঘ। স্বাধীনতার পর থেকেই বিভিন্ন শ্রেণির চাকরিতে কোটাব্যবস্থা চলে আসছিল। একপর্যায়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের অক্টোবরে নবম থেকে ১৩তম গ্রেডের (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি তথ্য বলছে, স্বাধীনতার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত ২০ শতাংশ পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ করা হতো। বাকি ৮০ শতাংশ পদে কোটায় নিয়োগ হতো। ১৯৭৬ সালে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ ৪০ শতাংশে বাড়ানো হয়। ১৯৮৫ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৪৫ শতাংশ মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের নিয়ম চালু করা হয়। বাকি ৫৫ শতাংশ অগ্রাধিকার কোটায় নিয়োগ দেওয়া হয়। এই অগ্রাধিকার কোটার মধ্যে রয়েছে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা, ১০ শতাংশ নারী, ১০ শতাংশ জেলা কোটা ও ৫ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। পরে ১ শতাংশ পদ প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের দিয়ে পূরণের নিয়ম চালু করে মোট কোটা দাঁড়ায় ৫৬ শতাংশ। শুরু থেকেই মুক্তিযোদ্ধা কোটা ছিল। পরে এ কোটায় মুক্তিযোদ্ধার সন্তান এবং তারপর নাতি-নাতনি যুক্ত করা হয়। প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কোটার বিপুল পদ শূন্য থাকত। একপর্যায়ে সিদ্ধান্ত হয়, কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা মেধাতালিকা থেকে পূরণ করা হবে। ২০১৮ সালে কোটা সংস্কার করে ১০ শতাংশ করার দাবিতে আন্দোলনে নামে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ। আন্দোলনের একপর্যায়ে সরকার ওই বছর নবম থেকে ১৩তম গ্রেডের (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির চাকরিতে কোটা বহাল থাকে। এই দুই শ্রেণিতে পোষ্য, আনসার-ভিডিপিসহ কিছু কোটা রয়েছে। এবার কোটার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে উচ্চ আদালতের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে। এক রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ৫ জুন হাইকোর্ট নবম থেকে ১৩তম গ্রেডের পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। এ রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে, যা ৯ জুন চেম্বার আদালতে ওঠে। সেদিন চেম্বার আদালত আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ৪ জুলাই শুনানির জন্য নির্ধারণ করেন। এদিন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বিভাগ চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে (নবম থেকে ১৩তম গ্রেড) মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণার রায় স্থগিত করেননি। হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি মুলতবি করা হয়েছে। বিষয়টি এখন আদালতে বিচারাধীন।

তবে কোটাব্যবস্থা বাতিল করে সরকারের জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন
গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল, বরিশাল বিভাগ, মেইন লিড, রাজনীতি, শিক্ষা, শিরোনাম, সাব-লিড

[addthis tool="addthis_inline_share_toolbox_nev1"]

আপনার মতামত লিখুন :

এই বিভাগের আরো সংবাদ

প্রকাশক ও সম্পাদক

জে এইচ সুমন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

মিথিলা ভবন ১১৫৬, সিএন্ডবি রোড, হাতেম আলী কলেজ, চৌমাথা

( বিআইটিসি ভবন লেভেল-৫ ) বরিশাল।

মোবাইলঃ +8802478864075 , 01787579767, 01312579767

ই-মেইল: shongramibangla@gmail.com
উপরে