সকাল ৬:৩৪ ; বুধবার ; ১৪ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
facebook Youtube google+ twitter
×
সর্বশেষ সংবাদ
  বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে ইরান আলোচনায় বসতে চায় ট্রাম্প   কুয়াকাটা থেকে ঝাটকা মাছ বহনের দায়ে ইউনিক পরিবহনে অভিযান, বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা   ঝালকাঠিতে অ্যাডভেঞ্চার ৯ লঞ্চ জব্দ, আটক ৪   ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগের   ইসি পাশে থাকবে আইনের শাসন নিশ্চিত করুন: সিইসি   বিএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন   সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিদেশি মদ উদ্ধার   অহেতুক হয়রানি করার অভিযোগ ওসি সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে   সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লাবনী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন   বরিশালের এয়াপোর্ট থানায় সফল পুলিশ অভিযান লুণ্ঠিত হওয়া ‘ Hero Glamour’ মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ০১   অপেক্ষা হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের   ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তুলকালাম   নতুন পোশাক পুলিশের গায়ে   সাবেক এমপি ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলা আইনজীবীদের নিয়ে কটূক্তি   ৬৭ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দিল সরকার ৪১ ডেপুটি   ৩৭ বন্দিকে মুক্তি দিচ্ছে সরকার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত   বরিশালে সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম অমান্য করে বহুতল ভবন নির্মাণ এলাকাবাসীর তীব্র ক্ষোভ   স্কুলছাত্রী ধর্ষিতা প্রাইভেট শিক্ষিকার সহযোগিতায় ছেলে কর্তৃক   মজিবর রহমান সরোয়ারের মতবিনিময় আইনজীবীদের সাথে   সরকারি জমি দখল, আটকে দিলো প্রশাসন চন্দ্রমোহন বিএনপির বহিস্কৃত নেতার

“আই হ্যাভ আ ড্রিম” ক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি

Shongrami Bangla
১:০২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের জন্য, দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তাঁর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিংয়ের বিখ্যাত উক্তি ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ স্মরণ করিয়ে দিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের একজন সদস্য হিসেবে আমি বলতে চাই “আই হ্যাভ আ প্ল্যান (আমার একটি পরিকল্পনা আছে) ফর দ্য পিপল অব মাই কান্ট্রি, ফর মাই কান্ট্রি”।’ গতকাল বিকালে লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে রাজধানীর বসুন্ধরা স্মার্ট সিটিসংলগ্ন ‘৩০০ ফিট’ হিসেবে পরিচিত ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’তে ‘তারেক রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন অভ্যর্থনা কমিটি’ আয়োজিত গণসংবর্ধনা সমাবেশে দেওয়া ভাষণে তিনি এ কথা জানান।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা নিয়ে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে আসার পথে তিনি বিশাল গণসংবর্ধনায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন। সমাবেশস্থল থেকে স্যাটেলাইট টেলিভিশন ও সমাজ মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারিত এ ভাষণে তারেক রহমান বলেন, ‘আজ এই পরিকল্পনা দেশের মানুষের স্বার্থে, দেশের উন্নয়নের জন্য, দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য। যদি সেই কার্যক্রম, সেই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়ন করতে হয়, তাহলে এই জনসমুদ্রে যত মানুষ উপস্থিত আছেন এবং সারা বাংলাদেশে গণতন্ত্রের শক্তির যত মানুষ আছেন প্রত্যেকটি মানুষের সহযোগিতা আমার লাগবে, সবার সহযোগিতা আমি চাই।

দীর্ঘ ১৭ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফিরে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি।’ ‘প্রিয় বাংলাদেশ’ বলে বক্তব্য শুরু করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘উপস্থিত প্রিয় মুরুব্বিবর্গ, জাতীয় নেতৃবৃন্দ, প্রিয় ভাই ও বোনেরা এবং মিডিয়ার মাধ্যমে সমগ্র বাংলাদেশে যাঁরা দেখছেন এই অনুষ্ঠান, প্রিয় ভাই-বোনেরা, প্রিয় মা-বোনেরা, আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আমি রাব্বুল আলামিনের দরবারে হাজারো লক্ষ কোটি শুকরিয়া জানাতে চাই। রাব্বুল আলামিনের অশেষ রহমতে আজ আমি আমার প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে আসতে পেরেছি আপনাদের দোয়ায়, আপনাদের মাঝে।

তারেক রহমান বলেন, ‘এই প্রিয় মাতৃভূমির স্বাধীনতা ১৯৭১ সালে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময় অর্জিত হয়েছিল। ঠিক একইভাবে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সেদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করা হয়েছিল। একইভাবে পরবর্তী সময়ে ১৯৯০-এ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে এ দেশের জনগণ, এ দেশের খেটে খাওয়া মানুষ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকারকে ছিনিয়ে এনেছিল। কিন্তু তারপরেও ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। ১৯৭১ সালে এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল, ২০২৪ সালে এ দেশের ছাত্র-জনতাসহ সর্বস্তরের মানুষ, কৃষক-শ্রমিক, গৃহবধূ, নারী-পুরুষ, মাদ্রাসার ছাত্রসহ দলমত, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে সকল মানুষ ৫ আগস্ট এই দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছে।’ জুলাই গণ আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘কয়েক দিন আগে চব্বিশের আন্দোলনের সাহসী প্রজন্মের সদস্য ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে; তিনি শহীদ হয়েছেন। ওসমান হাদি চেয়েছিলেন, এই দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। চব্বিশের গণ আন্দোলনে যাঁরা শহীদ হয়েছেন, ওসমান হাদিসহ বিগত স্বৈরাচারের সময় যাঁরা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাঁদের রক্তের ঋণ যদি শোধ করতে হয়, তবে আসুন আমরা আমাদের সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ তিনি বলেন, ‘আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পেতে চায়। বাংলাদেশের মানুষ চায় যোগ্যতা অনুযায়ী ন্যায্য অধিকার। আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার।’ তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির দোসররা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের যেকোনো উসকানির মুখে আপনাদের শান্ত থাকতে হবে। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে। যেকোনো মূল্যে এই দেশের শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের সদস্যরা, যাঁরা আগামী দিনে দেশকে নেতৃত্ব দেবেন, এই দায়িত্ব আজ তাঁদের গ্রহণ করতে হবে। যাতে করে এই দেশকে আমরা সত্য ভিত্তি, গণতান্ত্রিক ভিত্তি ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর গড়ে তুলতে পারি।

একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্নের কথা জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, ‘আজ আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এই দেশে যেমন পাহাড়ের মানুষ আছে, তেমনি সমতলের মানুষ আছে। মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষ বসবাস করে। আমরা চাই সকলে মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন একজন মা দেখেন অর্থাৎ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ। যেখানে একজন নারী, একজন পুরুষ বা একজন শিশু যে-ই হোক না কেন, নিরাপদে ঘর থেকে বের হয়ে নিরাপদে আবার ঘরে ফিরে আসতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী, ৪ কোটিরও বেশি তরুণ প্রজন্মের সদস্য, ৫ কোটির মতো শিশু এবং ৪০ লাখের মতো প্রতিবন্ধী মানুষ রয়েছেন। কয়েক কোটি কৃষক-শ্রমিক রয়েছেন। এই মানুষগুলোর একটি প্রত্যাশা আছে এই রাষ্ট্রের কাছে। আজ আমরা সকলে যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তবে আমরা এই লক্ষ কোটি মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারি।

নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করে তারেক রহমান বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদেরকে এই দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করতে হবে। যেকোনো উসকানির মুখে আমাদের ধীর ও শান্ত থাকতে হবে। আমরা দেশের শান্তি চাই।’ সংক্ষিপ্ত ভাষণে ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আসুন আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আগামী দিনে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে যারা আসবেন, আমরা সকলে নবী করিম (সা.)-এর ন্যায়পরায়ণতার আলোকে দেশ পরিচালনার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

মায়ের অসুস্থতার ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘সন্তান হিসেবে আমার মন আমার মায়ের বিছানার পাশে পড়ে আছে সেই হাসপাতালের ঘরে। কিন্তু যেই মানুষটি এই দেশের মাটির জন্য, মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, সেই মানুষগুলোকে (জনতাকে) আমি কোনোভাবেই ফেলে যেতে পারি না।’ সেজন্যই আজ হাসপাতালে যাবার আগে আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার জন্য এখানে দাঁড়িয়েছি।’ তিনি তাঁর মা বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

সবশেষে তারেক রহমান দেশের শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘যেকোনো মূল্যে আমাদের শান্তিশৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে যাতে মানুষ নিরাপদ থাকতে পারে। শিশু হোক, নারী হোক, পুরুষ হোক যেকোনো বয়স, শ্রেণি, পেশা বা ধর্মের মানুষ যেন নিরাপদ থাকে, এই হোক আমাদের চাওয়া।

এর আগে স্বাগত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেক রহমান প্রবাসে থেকেও দল ও গণতন্ত্রের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াইকে সামনে এগিয়ে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিবাদী সরকারকে হটানো সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র রক্ষার জন্য তাঁর নেতৃত্বে আমরা বহু কঠিন পথ অতিক্রম করেছি। তারেক রহমানের দেশে ফেরা বিএনপির জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি এটি গণতন্ত্রকামী মানুষের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।’ চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর যৌথ সঞ্চালনায় এই গণসংবর্ধনায় আরও বক্তব্য দেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অভ্যর্থনা কমিটির আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন আহমদ। সংবর্ধনা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম), অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখ। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সারা দেশ থেকে লাখ লাখ নেতা-কর্মী অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গীদের মধ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাাদেশের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, এনপিপির চেয়ারম্যান ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও জিয়াউর রহমানের প্রতি আজ শ্রদ্ধা জানাবেন তারেক রহমান : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। জুমার নামাজের পর বাসভবন থেকে প্রথমে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন। পরে সেখান থেকে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।

বুধবার গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে করে তারেক রহমানের তিন দিনের কর্মসূচির কথা জানানো হয়। আগামীকাল শনিবার জাতীয় পরিচয়পত্রের প্রক্রিয়া করবেন তিনি। ভোটার হতে সব কাজ কালই শেষ করার কথা। এরপর অন্যতম জুলাই যোদ্ধা, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে যাবেন তিনি। হাদির কবর জিয়ারত শেষে সেখান থেকে রাজধানীর শ্যামলীতে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জুলাই গণ অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের দেখতে যাবেন তারেক রহমান।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন
গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল বিভাগ, মেইন লিড, রাজনীতি, লাইভ ভিডিও, শিরোনাম, সাব-লিড

[addthis tool="addthis_inline_share_toolbox_nev1"]

আপনার মতামত লিখুন :

প্রকাশক ও সম্পাদক

জে এইচ সুমন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

মিথিলা ভবন ১১৫৬, সিএন্ডবি রোড, হাতেম আলী কলেজ, চৌমাথা

( বিআইটিসি ভবন লেভেল-৫ ) বরিশাল।

মোবাইলঃ +8802478864075 , 01787579767, 01312579767

ই-মেইল: shongramibangla@gmail.com
উপরে