বরিশালের বানারীপাড়ার ইন্দের হাওলায় গিয়াস খানের নেতৃত্বে অতর্কিত হামলার ঘটনায় ইব্রাহিম মল্লিক, নারী-পুরুষ ও শিশুসহ ৬ জন আহত ও ইব্রাহিম মল্লিকের ঘর ভাঙচুর হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায় উপজেলার সৈয়দ কাঠি ইউনিয়নের ইন্দের হাওলা গ্রামের আমজেদ খার ছেলে গিয়াস খা, জাহাঙ্গীর খার ছেলে ইমন খান, পনিরের ছেলে স্নিগ্ধ, গিয়াসের পুত্র আবির, নুরুন্নবীসহ ১০ /১২ জনার একটি দল দেশীয় অস্ত্র লাঠি সোটা ও হাতুড়ি নিয়ে পার্শ্ববর্তী ইব্রাহিম মল্লিকের বাড়িতে গিয়ে ইব্রাহিম মল্লিককে মারধর করে। এসময় তার স্ত্রী কোহিনুর বেগম, মেয়ে ইসরাত জাহান সাথী, স্কুল পড়ুয়া মেয়ে ইতি, সুমা, ইয়াকুবকেও বেধরক মারধর করা হয়। তারা ইব্রাহিম মল্লিকের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। ঘরে থাকা ৬ লাখ টাকা ও স্বর্ণাঙ্কার নিয়ে যায় বলে অভিযোগে জানা যায়। আহতদের ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন জড়ো হলে রিয়াজ খান সহ তার লোকজন খুন জখমের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ ঘটনায় ইব্রাহিম মল্লিকের মেয়ে ইসরাত জাহান সাথী বলেন, ৩-৪ দিন পূর্বে রাতে তিনি প্রকৃতির ডাকে বাহিরে গেলে গিয়াসের নেতৃত্বে পাঁচ ছয় জন লোক মুখে গামছা দিয়ে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। গিয়াসের সাথে থাকা কাউকে সাথী চিনতে পারেনি। ইসরাত জাহান সাথির দুইটি সন্তান রয়েছে। এ ঘটনার সুত্র ধরেই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে ইব্রাহিমের পরিবার। হামলার ঘটনার পর আহতদের বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী কোহিনুর বেগমের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাদেরকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
এ দিকে গুরুতর আহতদের বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেও গিয়াস খানের লোকজন পুনরায় ইব্রাহিম মল্লিকের উপর দ্বিতীয় দফা হামলা চালায় বলে অভিযোগে করেছে ইব্রাহিম মল্লিক। ইব্রাহিম মল্লিক উপজেলার সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক।
এ ঘটনায় এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ শালিস মিমাংশার চেষ্টা করছেন বলে জানায় স্থানীয়রা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে গিয়াস খান তার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনার জন্য ইব্রাহিম মল্লিককে দায়ী করেন।







