সন্ধ্যা ৬:৫২ ; বুধবার ; ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
facebook Youtube google+ twitter
×
সর্বশেষ সংবাদ
  নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে চিঠি ১৫ মার্চের মধ্যে না দিলে শাস্তি   জামিন পেলেন সাবেক এমপি তালুকদার মোহাম্মদ ইউনুস   খাসির মাংসের নামে ‘কুকুরের মাংস’ বিক্রির অভিযোগ   বানারীপাড়া সলিয়াবাকপুরে আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে একাধিক হামলা ও অগ্নিসংযোগ, পরিবারসহ পলাতক   বরিশাল শহরে যৌথ বাহিনীর অভিযান অব্যাহত   ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন শুভেন্দু মমতার বিরুদ্ধে   বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে ইরান আলোচনায় বসতে চায় ট্রাম্প   কুয়াকাটা থেকে ঝাটকা মাছ বহনের দায়ে ইউনিক পরিবহনে অভিযান, বরিশাল এয়ারপোর্ট থানা   ঝালকাঠিতে অ্যাডভেঞ্চার ৯ লঞ্চ জব্দ, আটক ৪   ৭ নেতাকর্মী গ্রেফতার মৌলভীবাজারে আওয়ামী লীগের   ইসি পাশে থাকবে আইনের শাসন নিশ্চিত করুন: সিইসি   বিএমপি’র সহকারী পুলিশ কমিশনার (এয়ারপোর্ট) কার্যালয় বার্ষিক পরিদর্শন   সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে অবৈধ অস্ত্র ও বিদেশি মদ উদ্ধার   অহেতুক হয়রানি করার অভিযোগ ওসি সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে   সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় লাবনী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন   বরিশালের এয়াপোর্ট থানায় সফল পুলিশ অভিযান লুণ্ঠিত হওয়া ‘ Hero Glamour’ মোটরসাইকেল উদ্ধার, গ্রেফতার ০১   অপেক্ষা হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের   ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে তুলকালাম   নতুন পোশাক পুলিশের গায়ে   সাবেক এমপি ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলা আইনজীবীদের নিয়ে কটূক্তি

জাতীয় সরকার বিএনপির প্রতিশ্রুতি:আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

Shongrami Bangla
৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ৮, ২০২৪

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা ৩১ দফা সংস্কারের কথা বলেছি। ৫০টির বেশি রাজনৈতিক দল এ ঐকমত্যে আমাদের সঙ্গে আছে। বিএনপি থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের পর আমরা সবাই মিলে জাতীয় সরকার গঠন করব।  আমরা যারা ৩১ দফার সঙ্গে আছি এবং আলাপ-আলোচনা করে প্রস্তাবগুলো তৈরি করেছি, তারা সবাই মিলে সেগুলো বাস্তবায়ন করব। এটি একটি বিরাট কমিটমেন্ট। নির্বাচনের পর জাতীয় সরকার গঠনের ঘোষণাটা জাতির কাছে বিএনপির প্রতিশ্রুতি। বাংলাদেশ প্রতিদিনকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি দেশের সার্বিক অবস্থা তথা রাজনীতি, অর্থনীতি, অন্তর্বর্তী সরকারের অবস্থা, আগামী জাতীয় নির্বাচন, সংবিধানে পরিবর্তন, সংস্কারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের বিশেষ সংবাদদাতা শফিউল আলম দোলন।

বর্তমানে দেশের সার্বিক রাজনৈতিক অবস্থাটা আসলে কী? কেমন চলছে দেশের অর্থনীতি?

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর এখন বাংলাদেশের রাজনীতিতে মূল বিষয় হচ্ছে- গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়া। বিগত ১৫-১৬ বছরের আন্দোলনটাই ছিল জনগণের অধিকার, ভোটাধিকার, মানবাধিকার, আইনের শাসন, জীবনের নিরাপত্তা, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি, লুটপাট এসবের বিরুদ্ধে। মূলত সবকিছুর মূলে ছিল একটি অনির্বাচিত অবৈধ দখলদার সরকার। যেহেতু অনির্বাচিত ছিল, জনগণের ভোট ছিল না, সেহেতু স্বৈরাচার বা ফ্যাসিস্ট সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ হচ্ছে জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সংসদ ও সরকার হতে হবে। যে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ হবে। রাজনৈতিক অঙ্গনে আগামী দিনের নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা আছে। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, যারা গত তিন-চারটি নির্বাচনে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। ভোটাধিকার না থাকায় যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তার কারণেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজকে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। সেখান থেকে বের হওয়ার জন্য জনগণ তাদের ভোটাধিকার চায়, তাদের মালিকানা ফিরে পেতে চায়। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার দেখতে চায়। মোট কথা জনগণ একটা জবাবদিহিমূলক সরকার চায়। একটি ফ্রি ফেয়ার ইলেকশনের মাধ্যমেই জবাবদিহিমূলক সরকার ও সংসদ গঠন এবং গণতন্ত্রে ফিরে যাওয়া সম্ভব হবে। এর মধ্যে কিছু সংস্কারের প্রয়োজন আছে। তবে সংস্কারটা হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া। সে সংস্কারগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হতে হবে। কারণ সংস্কার তো ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নয়। কোনো গোষ্ঠীরও বিষয় নয়। সংস্কার হচ্ছে- দেশের জন্য এবং সংস্কার প্রক্রিয়া জনগণের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে হতে হবে। যেসব বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য হয়ে গেছে সেসব বিষয়ে দ্রুত সংস্কার সম্পন্ন করা যেতে পারে। আর যেগুলো হয়নি বা দ্বিমত আছে, সেগুলো পরবর্তী সময়ে ভোটে নির্বাচিত সরকার এসে করতে পারে। জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদের মাধ্যমে সেই পরিবর্তনগুলো আনা সম্ভব।

অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক নির্বাচনি রোডম্যাড ঘোষণার বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : নির্বাচনের ব্যাপারে এ সরকারকে সময় বেঁধে দিয়ে কোনো চাপ সৃষ্টি করতে চাই না। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করছি। আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন দিয়েছি। তারা যাতে সবার সহযোগিতা নিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করতে পারে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে একটা নির্বাচিত সরকারের কাছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করতে পারে, সেটিই হলো আজকের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

সরকারের সংস্কার কার্যক্রমকে কীভাবে দেখছেন? আপনার দল কোন কোন বিষয়ে সংস্কারের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : এখন যে সংস্কারের আলোচনা হচ্ছে তার বহু আগে আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছি। দেড় বছর আগে প্রথমে ২৭ দফা সংস্কার প্রস্তাব দিলেও পরবর্তী সময়ে দেশের গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে ৩১ দফা দিয়েছি। তারও ছয় বছর আগে বিএনপি ভিশন-২০২৩-এর মাধ্যমে সংস্কারের কথা বলেছে। এটা নিয়ে ভাবার কিছু নেই। বাংলাদেশের সবাই জানে যে দেশে সংস্কার করতে হবে। কিছুটা দ্বিমত থাকতেই পারে। কারণ বিভিন্ন দলের বিভিন্ন রকমের চিন্তাভাবনা থাকে। তবে আমার মনে হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই আমরা সবাই একমত হয়েছি। কাজেই নির্বাচনি প্রক্রিয়ায় যে সংস্কারগুলো করা দরকার সেগুলো শেষ করে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। আর সংস্কার তো চলমান প্রক্রিয়া। আজকে যে সংস্কার হবে আগামী এক বছর পর সে সংস্কার বাতিলও করতে হতে পারে। তবে সংস্কারটা করতে হবে সময়োপযোগী এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়।

নির্বাচনের পর বিএনপি জাতীয় সরকার গঠনের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে। এটি কীভাবে সম্ভব?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : আমরা ৩১ দফা সংস্কারের কথা বলেছি। যুগপৎ আন্দোলনে আমরা  যারা আছি তাদের মধ্যে এ বিষয়ে ঐকমত্য আছে। এর বাইরের রাজনৈতিক দলগুলোও যোগ হয়েছে। তাদের সঙ্গেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা ঐকমত্য তৈরি হয়েছে। সুতরাং এখানে জাতীয় ঐকমত্যের একটা বিষয় রয়েছে। ৫০টির কাছাকাছি দল এ ঐকমত্যে আমাদের সঙ্গে আছে। কাজেই বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে যে নির্বাচনের পর আমরা সবাই মিলে একটা জাতীয় সরকার গঠন করব। আমরা যারা ৩১ দফার সঙ্গে আছি এবং আলাপ-আলোচনা করে তৈরি করেছি তারা সবাই মিলে সেগুলো বাস্তবায়ন করব। এটি একটি বিরাট কমিটমেন্ট। এটা জাতির কাছে বিএনপির প্রতিশ্রুতি। আমরা কতটা সিরিয়াস তারই প্রতিফলন।

জাতীয় নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলো কতটা প্রস্তুত? অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন উচিত হবে কিনা?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : এটা হচ্ছে ঘোড়ার আগে গাড়ি জুড়ে দেওয়ার মতো অবস্থা। দেশে কোনো নির্বাচিত সরকার হচ্ছে না, আর আপনি যাবেন লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশনে। এখানে নির্বাচিত সরকারের অধীনে লোকাল গভর্নমেন্ট নির্বাচন আর ইনটেরিম গভর্নমেন্টের অধীনে লোকাল গভর্নমেন্ট নির্বাচন- এর মধ্যে অনেক ব্যবধান আছে। সুতরাং নির্বাচনের মাধ্যমে যারা সরকার গঠন করবে তারাই এ লোকাল গভর্নমেন্ট নির্বাচন দেবে। তা ছাড়া এ নির্বাচন দিতে গেলে অনেকটা সময়ও চলে যাবে। কারণ লোকাল গভর্নমেন্ট ইলেকশন তো অনেকগুলো। এগুলো স্তরে স্তরে করতে হবে। দেশে নির্বাচিত সরকার গঠন করাটাই হচ্ছে এই মুহূর্তের দাবি। সুতরাং জাতীয় সরকার গঠনের পর এটি ধীরস্থিরভাবে ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা যাবে।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সংবিধান পরিবর্তনের কথা উঠছে। আপনি কী মনে করেন?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : সংবিধান পরিবর্তনের কথা তো সবাই বলছে। যেসব জায়গায় সবার ঐকমত্য আছে সেসব জায়গায় পরিবর্তন করা যেতে পারে। আর যেসব জায়গায় ঐকমত্য নেই সেগুলো নির্বাচিত সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে করবে। পরবর্তী সংসদের জন্য রেখে দিতে হবে।

পুলিশ বাহিনী, বিচারব্যবস্থা, নির্বাচন কমিশনকে কীভাবে পুনর্গঠনসহ কার্যকর করা যেতে পারে?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে, এখন সেটি এবং নির্বাহী বিভাগের যাঁরা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে কাজ করবেন তাঁরা সবাই যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করতে হবে। পুলিশ বাহিনী এবং বিচার বিভাগকে সেভাবেই স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ তৈরি করে দিতে হবে। প্রয়োজনীয় সংস্কার আনতে হবে। অবশ্য এজন্য বেশ কিছু সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছে।

ছাত্র-জনতার আন্দোলন কীভাবে দেখেন? এতে বিএনপিসহ রাজনৈতিক দলগুলোর অবদান কতটুকু?

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী : বিএনপির আন্দোলন তো ১৬-১৭ বছর ধরেই চলতেছে। ১৬ বছর ধরে বিএনপির ৬০ লাখ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে লাখ লাখ মিথ্যা ও গায়েবি মামলা দেওয়া হয়েছে। অনেককে হত্যা করা হয়েছে। গুম করা হয়েছে। অনেকে পঙ্গু হয়েছে। পুলিশ কাস্টডিতেও চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুবরণ করেছে। বাড়িঘর, ব্যবসাবাণিজ্য হারিয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থেকেও লড়াই করছেন। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার, ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার জন্য তাঁকে অন্যায়ভাবে জেলে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসার সুযোগ পর্যন্ত তাঁকে দেওয়া হয়নি। সবচেয়ে বড় অবদান হচ্ছে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার। ওনার শক্ত ও অটল অবস্থানের ফলে জাতি সাহস পেয়েছে এবং দাঁড়াতে পেরেছে। বিএনপির ওপর এত নির্যাতন-নিপীড়ন করেও বিএনপিকে থামাতে পারেনি। বিএনপি নেতা-কর্মীদের যে ত্যাগ-তিতিক্ষা তা বলে শেষ করা যাবে না। গত ১০-১৫ বছর নির্যাতন-নিপীড়নের পরেও বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী দল ছেড়ে যায়নি। এমন একটি দল আর একটিও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর বিদেশে থেকেও যে নেতৃত্ব দেওয়া যায় এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা যায় এবং মোটিভেট করা যায় তার প্রমাণ তারেক রহমান নিজে। তাঁর যে ত্যাগ ও অবদান সেটিও অনস্বীকার্য। কারণ তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে অনলাইনে বৈঠক করে যেভাবে দলটাকে আজকের এ অবস্থানে নিয়ে এসেছেন, তা অতুলনীয়।

 

 

 

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন
গণমাধ্যম, ঝালকাঠি, দেশজুড়ে, পটুয়াখালী, পিরোজপুর, বরিশাল বিভাগ, বিনোদন, মন্তব্য প্রতিবেদন, মেইন লিড, রাজনীতি, শিরোনাম, সাব-লিড

[addthis tool="addthis_inline_share_toolbox_nev1"]

আপনার মতামত লিখুন :

এই বিভাগের আরো সংবাদ

প্রকাশক ও সম্পাদক

জে এইচ সুমন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

মিথিলা ভবন ১১৫৬, সিএন্ডবি রোড, হাতেম আলী কলেজ, চৌমাথা

( বিআইটিসি ভবন লেভেল-৫ ) বরিশাল।

মোবাইলঃ +8802478864075 , 01787579767, 01312579767

ই-মেইল: shongramibangla@gmail.com
উপরে