মেহেন্দীগঞ্জে কারেন্টজাল বিক্রি ও ইলিশ ধরায় বাঁধা দেওয়ায় স্বেচ্ছাসেবকদল নেতার ওপর হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার কাজিরহাট থানার ঘোড়াঘাট এলাকায় গজারিয়া নদীর পাড়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে কমপক্ষে ১০জন আহত হয়েছেন। কাজিরহাট থানার জয়নগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মো. হোসেন হাওলাদারের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মীরা হামলা করেছেন বলে দাবি আহতদের। কাজিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হামলায় আহত মাইদুল মীর জানান, জয়নগর ইউপি সদস্য মো. হোসেন হাওলাদারের গজারিয়া নদীর ঘোড়াঘাট এলাকায় মুদি দোকান রয়েছে। তিনি মুদি মালের আড়ালে দোকানে অবৈধ কারেন্টজাল বিক্রি করেন এবং স্থানীয় জেলেদের সঙ্গে চুক্তি করে ইলিশের প্রজনন মৌসুমে মাছ শিকার করেন। শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে কারেন্টজাল বিক্রি ও জেলেদের সঙ্গে চুক্তির সময় ইউপি সদস্যকে বাঁধা দেন এবং সরকারি আইন মেনে চলার অনুরোধ করেন। এতে ইউপি সদস্য ক্ষিপ্ত হলে তাদের মধ্যে বাগবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা মারামারিতে রুপ নেয়। এতে ১০ জন আহত হয়। এদের মধ্যে মাইদুল মীর ও নেয়ামুল সিকদারের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইউপি সদস্য মো. হোসেন হাওলাদার জাল বিক্রি ও ইলিশ শিকারের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা মাইদুল মীর জেলেদের কাছ থেকে ৮শ টাকার ইলিশ মাছ কিনে ৫শ টাকা দিয়েছিলেন। এনিয়ে ওই নেতার সঙ্গে জেলেদের কথার কাটাকাটি ও মারামারি হয়েছে। এতে কয়েকজন আহত হয়ে থাকতে পারে।
কাজিরহাট থানার ওসি মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, ইলিশ ধরা ও বিক্রি নিয়ে মারামারির সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল বিভাগ, মেইন লিড, শিরোনাম, সাব-লিড






