; ;
facebook Youtube google+ twitter
×
সর্বশেষ সংবাদ
  হামলার হুমকি ইরানের ট্রাম্পের পিক্যাক্স মাউন্টেনে   আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের হরমুজ প্রণালি   আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা ডিউটিতে নিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত।   প্রশাসনের মামলার আশ্বাসে ফিরলেন সাংবাদিকরা,সাংবাদিকদের ওপর হামলা   পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী ট্রলি বাড়ানোর নির্দেশ শাহজালাল বিমানবন্দর   কেউ কেউ গুজব রটাচ্ছে দেশকে অস্থিতিশীল করতে:প্রধানমন্ত্রী   দুর্গাসাগরে চাঞ্চল্যকর হরিণ চুরির মামলায় আরও এক আসামি গ্রেফতার   সেন্ট মার্টিনে উঠছে একের পর এক রিসোর্ট কেয়াবন ও নারকেলগাছ কেটে   ঝালকাঠির প্রতিটি মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও দোয়ার প্রতিফলন এ্যাডঃ শাহাদাৎ হোসেন   নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিচারে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হচ্ছে আজ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়   চাঞ্চল্যকর জসিম সিকদার বাবু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ প্রধান আসামি গ্রেফতার।   মিরপুর কলেজের শিক্ষক মহসিন আলীর বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ,তদন্তে সত্যতা মিললেও নেই কোন দৃশ্যমান ব্যবস্থা   চাকরিতে বহাল আ.লীগ নেতা বরিশালে দেড় মাস জেলে থেকেও   ২৭১ পিস ইয়াবা উদ্ধার পলাশপুরে তিন নারীসহ আটক চার   নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ মালিক বেতাগীতে ডাকাতের গুলিতে আটক ৩   রাজনৈতিক পরিচয় নয়,অপরাধীর পরিচয় কেবলই অপরাধী:প্রধানমন্ত্রী   বরিশালে আনসার বাহিনীর গাড়ির ধাক্কায় শিশু নিহত, আহত মা — তিন মাসেও বিচার না পাওয়ার অভিযোগ ভুক্তভোগীদের   বরিশাল এয়ারপোর্ট থানার অভিযানে রোহিঙ্গা নারীসহ ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার   ২.৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে ট্রাম্প প্রশাসনের সম্মতি পাকিস্তানে   অস্ত্রের চালান জব্দ করলো বেলজিয়াম যুক্তরাজ্য থেকে ইসরায়েলে পাঠানো

হাম নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করলে

Shongrami Bangla
4:41 am, April 26, 2026

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা হামের ঝুঁকি কতখানি সেটি নিরূপণ করেছে। ঝুঁকি নিরূপণের অনেক মানদণ্ড আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হচ্ছে, এটি কতখানি গুরুতর অবস্থা তৈরি করেছে, এর প্রভাব কতখানি এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এটি সামাল দিতে পারছে কিনা। এসব বিবেচনায় এটি উচ্চঝুঁকি। কারণ এটি গুরুতর পর্যায়ে গেছে, অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটছে। সংক্রমণ অনেক হয়েছে এবং এর প্রভাবে আমাদের জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি খুবই খারাপ হয়েছে।

এই যে এতগুলো শিশুর মৃত্যু–এটি খুবই অস্বাভাবিক। অসুস্থতা ও মৃত্যুর সংখ্যা স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি। দ্বিতীয়ত যেটি হচ্ছে, আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা এটি সামাল দিতে পারছে না। স্বাস্থ্যব্যবস্থায় আমাদের যে স্বাভাবিক সক্ষমতা সেটি দিয়ে সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসা না পেয়ে, আইসিইউ না পেয়ে শিশুর মৃত্যু হচ্ছে। সময়মতো তাদের হাসপাতালে আনাও কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের দায়িত্ব। এটি জনগণের কাঁধে চাপিয়ে দিলে হয় না। এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষকে হাসপাতালমুখী করা সরকারের দায়িত্ব। কাজেই এটি উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন।

এখন এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য প্রথমে এটিকে স্বীকৃতি দেওয়া দরকার। স্বীকৃতি হচ্ছে যে, জনস্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি হয়েছে, একটি মহামারি হয়েছে। সরকার যদি এটি স্বীকৃতি দেয় তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনেক কাজ চালু হয়ে যায়। সরকারের ভেতরে–বাইরে কাজ শুরু হয়, আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্য যারা উন্নয়ন সহযোগী আছে, অন্যান্য দেশ আছে–একটি দেশে স্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি হলে তাদের কতগুলো নিয়ম আছে; তারা কীভাবে সেটিকে সামাল দেবে। কারণ দুনিয়ার কোনো একটি দেশে যদি স্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি থাকে, সেটি সারা বিশ্বকে প্রভাবিত করে। যাতায়াত থেকে শুরু করে সংক্রমণের বিস্তার, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সবখানেই।

এখন সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য যা করছে, সেগুলো মূলত ঠিক আছে। কিন্তু এটি করা হচ্ছে সম্পূর্ণ অগোছালোভাবে এবং ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে। যেমন যেটি করতে আগে হয়তো ক্যাবিনেট মিটিং লাগত, সেখানে এখন সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে বলছে এটি করে দাও। এটি জরুরি পরিস্থিতি হিসেবে করা যায়। টাকা বরাদ্দ করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকার অর্থ মন্ত্রণালয়ের ছাড় পায়নি। কারণ সরকারি টাকা দিয়ে টিকা কিনতে গেলে অনেক নিয়ম আছে। যে কোনো কাজ করতে গেলে সেটি ওই সময় করা সম্ভব ছিল না বলে অন্তর্বর্তী সরকার এটি পরবর্তী সরকারের জন্য রেখে দিয়েছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার যদি এটি গুরুত্ব দিত, তখনই সেটি করতে পারত, সেটি তারা করে নাই। বর্তমান সরকারও সেটি করত না, যদি এই শিশুগুলোর মৃত্যুর খবর গণমাধ্যমে না আসত। মৃত্যু তো আগেই শুরু হয়েছে। যখন গণমাধ্যমে চলে এলো, তখন একটি জরুরি পরিস্থিতি দেখা দিল।

আমরা চাচ্ছি, গণমাধ্যমের খবরে বাধ্য হয়ে জরুরিভাবে নেওয়ার বিষয়টি যেন না ঘটে। বরং কোন মাত্রায় একটি রোগের সংক্রমণ বেড়ে গেলে, কোন মাত্রায় মৃত্যু বেড়ে গেলে, কোন মাত্রায় হাসপাতাল সক্ষমতা অকার্যকর হয়ে গেলে জরুরি পরিস্থিতি হবে, সেটি নির্ধারণ করা দরকার। সেটি কিন্তু রোগতত্ত্ববিদরা নির্ধারণ করেই রাখেন। কথা হচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেটিকে স্বীকৃতি দেওয়া। যেমন প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ১০ নম্বর সিগন্যাল হলে কী জরুরি পরিস্থিতি হয়, বন্যার পানি বিপৎসীমার কত ইঞ্চি ওপরে হলে জরুর পরিস্থিতি–এগুলো কিন্তু তারা ঠিক করে রাখে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে কিন্তু তাদের স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টার আছে। আমরা চাচ্ছি যে স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন পাবলিক হেলথ ইমারজেন্সি চালু হোক, সেটি হয়তো সময় লাগবে কাগজে লিখতে।

এখন যদি আমরা স্বাস্থ্যের জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করি তাহলে যে কাজগুলো সরকার করছে, সেটিই ভবিষ্যতে স্ট্যান্ডিং অর্ডার হিসেবে পরিগণিত হবে। আমরা জরুরি ভিত্তিতে কাজ করছি কিন্তু স্বীকার করছি না, এটি কিন্তু বিভিন্ন জায়গায় কাজের সমন্বয়ের সমস্যা হবে। আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের সমস্যা হবে। সরকারের ভেতরে যারা, তারা সিদ্ধান্তের জন্য বসে থাকবে এবং জনগণের মধ্যেও এই পরিস্থিতির গুরুত্ব সম্পর্কে সঠিক ধারণা হবে না। জনগণের কী করণীয় সেটিও কিন্তু জরুরি পরিস্থিতিতে যারা জনপ্রতিনিধি আছেন, তারা করতে পারবেন। এগুলো যদি না করা হয়, শুধু তাৎক্ষণিকভাবে কিছু কাজ করা হয়, দেখবেন আবার দুদিন পরে এই জরুরি পরিস্থিতি হবে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আমাদের অনেকদিন সময় লাগবে। যেটি এক-দুই মাসের মধ্যে সামাল দেওয়ার সক্ষমতা আমাদের আছে বা সেই অভিজ্ঞতা আমাদের স্বাস্থ্য বিভাগের আছে, আমাদের দেশের সরকারেরও আছে। যদি আপনি পরিস্থিতি স্বীকার না করেন, তাহলে সেটি করতে অনেক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।

সামাজিক যোগাযোগে শেয়ার করুন
গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল বিভাগ, মেইন লিড, শিরোনাম, সাব-লিড, স্বাস্থ্য

[addthis tool="addthis_inline_share_toolbox_nev1"]

আপনার মতামত লিখুন :

এই বিভাগের আরো সংবাদ

প্রকাশক ও সম্পাদক

জে এইচ সুমন।

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

মিথিলা ভবন ১১৫৬, সিএন্ডবি রোড, হাতেম আলী কলেজ, চৌমাথা

( বিআইটিসি ভবন লেভেল-৫ ) বরিশাল।

মোবাইলঃ +8802478864075 , 01787579767, 01312579767

ই-মেইল: shongramibangla@gmail.com
উপরে