অসীম কুমার বিশ্বাস
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের এক সময়ের রক্তাক্ত জনপদ খ্যাত ঝিনাইদহে আবারো মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে চরমপন্থী দলগুলো। ঝিনাইদহ শৈলকুপায় তিন হত্যা মামলার ঘটনায় থানায় এখনো পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। ঝিনাইদহে তিন হত্যা নিয়ে শুধু শৈলকুপাতে নয় ঝিনাইদহ জেলাসহ সর্ব জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। ঝিনাইদহ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান জাকারিয়া এই হত্যা কান্ডের মোটিভ উদ্ধার করার জন্য তৎপর রয়েছে। শুধু পুলিশ নয়, এখানে সেনাবাহিনী, RAB সহ গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও মাঠে নেমেছে। কিন্তু এই দুই দিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার বা কোন উন্নতি এ ব্যাপারে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।
তবে পুলিশ আশা করছে যে এর সুক্ষ্মভাবে তদন্ত করে এর বিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। কিন্তু গত রাতে ও ঝিনাইদহ জেলার হরিনা কুন্ডু থানায় এক বাওড়ের পাশে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শুনেছে এলাকাবাসী। তবে সেগুলো গুলি না পটকার শব্দ এ ব্যাপারে পুলিশ ও নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। তবে আতঙ্ক কিন্তু এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।
এই হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত জাসদ গণবাহিনীর আঞ্চলিক কমান্ডার কালু খুদে বার্তায় এই হত্যার দায় স্বীকার করে। তবে অনেকের ধারনা হরিনা কুন্ডুতে একটা বাঁওড় আছে। যে বাঁওড়টি একশত আট একর জলাকার । এই বাওড়ে প্রতি বছর প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকার মাছ সেখান থেকে বিক্রি হয়।এই বাঁওড়টিও নিয়ন্ত্রণ করত পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির আঞ্চলিক সামরিক কমান্ডার নিহত মোঃ হানিফ।গত কয়েক বছরে এই বাঁওড়কে কেন্দ্র করে ৩০- ৪০ জন মানুষ খুন হয়েছে, এই বাঁওড় দখল করা কেন্দ্র করে।
পুলিশ এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। জাসদ গণবাহিনীর সাথে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টির দীর্ঘদিন ধরে সাপে নেউলে সম্পর্ক। সব সময়ের জন্য এদের মধ্যে চলে শত্রুতা। গত বছরের ৫ই ডিসেম্বর ঠিক একই স্থানে পাঁচ জনকে হত্যা করা হয়। নিহত মোঃ হানিফের নামে ১৫টি হত্যা মামলাসহ অর্ধ শতাধিক মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় তার মৃত্যুদন্ডের আদেশ হলে ও মহামান্য রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় জেল থেকে মুক্তি পায়।
আইন-আদালত, গণমাধ্যম, দেশজুড়ে, বরিশাল বিভাগ, মন্তব্য প্রতিবেদন, মেইন লিড, শিরোনাম, সাব-লিড






