কথা সাহিত্যিক
সাহিদা হোসাইন
সাহিদা হোসাইন
নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিশ্বাস, ওপারেতে সর্ব সুখ আমার বিশ্বাস।
ভান্ডারিয়া থেকে আমার ছোট্ট বন্ধুটি এসেছিল আমার বাসায় বেড়াতে,যার নাম শ্রেষ্ঠা। আমরা ত্রিশ গোডাউন যাবো ঘুরতে,আমার ভাতিজি ও তার ছেলে মেয়েদের নিয়ে। যথারীতি বাসা থেকে বের হলাম হঠাৎ করে নজরে এলো একটা অটোরিক্সা, ডাক দিলাম এই অটো এদিকে আসো, অটোরিক্সা তড়িৎ গতিতে চলে আসলো, জিজ্ঞাসা করলাম ত্রিশ গোডাউন যাব ভাড়া কত? সে ভাড়া চাইল ৮০ টাকা আমি বললাম ৬০ টাকা হলে চলো, অটোরিক্সা নারাজ হয়ে চলে গেল!! অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পরেও কোন অটো পেলাম না!! সবাইকে নিয়ে শুরু করলাম হাটা!! হাঁটতে হাঁটতে আধা কিলোমিটার চলে গেলাম মেইন রোডে, ভাবলাম এখানে তো অটোরিক্সা সব সময় পাওয়া যায়। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল যখন অটো রিক্সাওয়ালা কে জিজ্ঞাসা করলাম ত্রিশ গোডাউন যাবেন কিনা তারা ১০০ টাকা চাইলো!! আর একটা অটোরিক্সা আসলো সেও একই রকম ভাড়া চাইলো!! হতভম্ব হয়ে কিছুটা সময় দাঁড়ালাম অবশেষে ৯০ টাকায় গেলাম।। অটোরিক্সায় উঠে মনে মনে ভাবছি আর হাসছি টাকাও বেশি দিলাম আর অনেক পথ হাঁটলামও। মানুষ সুখে থেকেও আরো সুখের আসায় সামনের দিকে সাতরাতে থাকে বড় কোন সুখের আসায়। সাতরাতে সাতরাতে প্রবল ঢেউ এসে বহু দুরে নিয়ে যায় হয়তো সেখান থেকে আর ফিরেই আসা হয়না। তাই
“অল্পে তুষ্ট যে,সুখী মানুষ সে”।
মাঝে মাঝে ভাবি যদি কখনো বাসা ভাড়া দিতে না পারি !!! ভুল এটা ভাবা সম্পূর্ণরূপে ভুল।। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও ব্যবস্থা করে রেখেছেন, কোন কিছু নিয়ে আমার কোন আফসোস বা আক্ষেপ নেই!! আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কোথাও না কোথাও ব্যবস্থা করে রেখেছেন,
” যে করেছেন আমাকে সৃষ্টি,
আমি বিশ্বাস করি
আমার দিকে
“আছে তার দৃষ্টি”







